প্রতিবর্ণীকরণ কাকে বলে? প্রতিবর্ণীকরণের নিয়ম লেখ

প্রতিবর্ণীকরণ কাকে বলে ? প্রতিবর্ণীকরণের নিয়ম লেখ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলাে প্রধানত আরবি, ফারসি ও ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। আরও কিছু বিদেশি ভাষার শব্দ বাংলায় গৃহীত হয়েছে ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে। বিদেশি ভাষার শব্দগুলাে বাংলায় ব্যবহৃত হওয়ার সময় উচ্চারণগত তথা বর্ণগত কিছু সমস্যা দেখা দেয়। কারণ সব ভাষার বর্ণ একই উচ্চারণের অনুগত নয়। বিভিন্ন ভাষার […]

প্রতিবর্ণীকরণ কাকে বলে? প্রতিবর্ণীকরণের নিয়ম লেখ Read More »

নব্য ভারতীয় আর্য ভাষার লক্ষণগুলো সংক্ষেপে আলোচনা কর

নব্য ভারতীয় আর্য ভাষার লক্ষণগুলো সংক্ষেপে আলোচনা কর নব্য ভারতীয় আর্য ভাষান্তরের বিভিন্ন ভাষার উৎপত্তি প্রসঙ্গে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ধারণা, দারদি (Dardic) ভাষাগুলাে ছাড়া সমস্ত আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষার উৎপত্তি একটি সাধারণ প্রাচীন ভারতীয় আর্য কথ্য ভাষা থেকে। তিনি এ মূল ভাষার নাম দিয়েছেন ‘আদিম প্রাকৃত’। ভারতবর্ষের সর্বত্র ‘আদিম প্রাকৃত’ নামের প্রাচীন সাধারণ কথ্য ভাষা

নব্য ভারতীয় আর্য ভাষার লক্ষণগুলো সংক্ষেপে আলোচনা কর Read More »

বিদেশি বর্ণ থেকে বাংলায় প্রতিবর্ণীকরণের চারটি নিয়ম লেখ

বিদেশি বর্ণ থেকে বাংলায় প্রতিবর্ণীকরণের চারটি নিয়ম লেখ ধ্বনিবিজ্ঞানের  পরিভাষার সাথে বিদেশী শব্দ তথা ইংরেজি শব্দের বর্ণান্তরীকরণ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।প্রতিবর্ণীকরণ শব্দটি এসেছে ইংরেজি Transliteration শব্দ থেকে। Transliteration এর আভিধানিক অর্থ বর্ণান্তরিতকরণ বা ভিন্ন ভাষার বর্ণমালায় লিপিবদ্ধকরণ বা প্রতিবর্ণীকরণ । সুতরাং নবাগত বিদেশী শব্দের মূল উচ্চারণের গ্রহণযােগ্যতা বা শুদ্ধতা রক্ষার জন্য যে সব রীতি বা পদ্ধতি অনুসরণ

বিদেশি বর্ণ থেকে বাংলায় প্রতিবর্ণীকরণের চারটি নিয়ম লেখ Read More »

বাংলা ভাষায় আর্য প্রভাব

বাংলা ভাষায় আর্য প্রভাব বাংলা ভাষা সময়ে সাথে সাথে বিভিন্ন ভাষার শব্দ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়েছে।আর্য,অনার্য,বৈদেশিক ভাষা দ্বারা বাংলা ভাষা প্রভাবিত হয়েছে।আর্যরা বাংলার প্রাচীন অধিবাসী নয়। তারা পাক-ভারতের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ক্রমশ অগ্রসর হয়ে বাংলা পর্যন্ত তাদের অধিকার বিস্তৃত করে। তাদের আগমনের আগে বাংলায় অনার্যরা বাস করত।বগুড়ার মহাস্থানগড়ে মৌর্ষযুগের যে অনুশাসন লিপি আবিষ্কৃত হয়েছে, তাতে বোঝা

বাংলা ভাষায় আর্য প্রভাব Read More »

বাংলা ভাষায় অনার্য ভাষার প্রভাব সংক্ষেপে লেখ

বাংলা ভাষায় অনার্য ভাষার প্রভাব সংক্ষেপে লেখ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫०० অব্দে আর্যরা ভারতে প্রথম এসেছিল বলে কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছেন। আর্যরা মূলত ইরান, মধ্য এশিয়া থেকে বিভিন্ন দলে দলে বিভক্ত হয়ে পূর্ব আফগান, উত্তর পশ্চিম সীমান্ত দেশ, পশ্চিম পাঞ্জাব, কাশমিরে উপনীত হয় । কালক্রমে তারা পূর্ব পাঞ্জাব ও ভারতে প্রাধান্য বিস্তার করে । আর্যারা

বাংলা ভাষায় অনার্য ভাষার প্রভাব সংক্ষেপে লেখ Read More »

মাগধী প্রাকৃতের সাথে বাংলা ভাষার সম্পর্ক নির্ণয় কর

মাগধী প্রাকৃতের  সাথে বাংলা ভাষার সম্পর্ক নির্ণয় কর বাংলা ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে বিভিন্ন পন্ডিত ভিন্ন ভিন্ন মত পরিবেশন করেছেন। এই মতবাদের মধ্যে শুধু দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য নয় বরং তথ্য ও বিচার পদ্ধতিগত পার্থক্য রয়েছে। মাগধী প্রাকৃতের সাথে বাংলা ভাষার সম্পর্ক নিয়েও পণ্ডিতগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। স্যার জর্জ গ্রীয়ারসন মত দিয়েছেন যে, মাগধি প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার

মাগধী প্রাকৃতের সাথে বাংলা ভাষার সম্পর্ক নির্ণয় কর Read More »

বাংলা ভাষায় আরবি- ফারসি শব্দের প্রভাব আলোচনা কর

বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রভাব আলোচনা কর বাংলা ভাষায় বৈদেশিক প্রভাবের নমুনা প্রধানত বাংলা শব্দসম্ভবের মধ্যেই লক্ষ করা যায়।এ দেশে মুসলমানদের আগমনের প্রেক্ষিতে আরবি, ফারসি, তুর্কি প্রভৃতি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অন্যদিকে ব্যবসা বাণিজ্যের কারণে ইউরােপের সঙ্গে সংযােগের ফলে এসেছে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ফরাসি, দিনেমার প্রভৃতি ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের প্রবেশের কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে বাইরের

বাংলা ভাষায় আরবি- ফারসি শব্দের প্রভাব আলোচনা কর Read More »

বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেখ

বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেখ মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য কন্ঠস্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন বাক্য ব্যবহার করে। বাক্যের বিভিন্ন ভাব সার্থকভাবে প্রকাশের জন্য কণ্ঠস্বরের ভঙ্গির তারতম্য হয়ে থাকে। বাক্যের ভাব যথাযথ ভাবে প্রকাশের জন্য বাক্যের মধ্যে কিছু সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন নামে পরিচিত। মনোভাব প্রকাশের সময় অর্থ

বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেখ Read More »

প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম ও অ- তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি করে নিয়ম লেখ

প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম ও  অ- তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি করে নিয়ম লেখ ভাষা শুদ্ধরূপে লিখতে হলে  শুদ্ধ বানান জানা খুব প্রয়োজন। উচ্চারণের ভিন্নতা থাকলেও শব্দের বানান বিভিন্ন রকম হতে পারে না। প্রত্যেক ভাষার বানানের জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করা হয়। বাংলা ভাষার বানান ও উচ্চারণ সম্পর্কিত সমস্ত  নিয়মকানুন সৃষ্টির দায়িত্ব বাংলা একাডেমির

প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে তৎসম ও অ- তৎসম শব্দের বানানের পাঁচটি করে নিয়ম লেখ Read More »

ণ-ত্ব বিধান ও ষ-ত্ব বিধানের ৫টি করে নিয়ম লেখ

ণ-ত্ব বিধান ও  ষ-ত্ব বিধানের ৫টি করে নিয়ম লেখ বাংলা ভাষার শব্দের বানান কোন একক রীতিতে গড়ে ওঠেনি। বাংলা ভাষার নিজের বৈশিষ্ট্যের জন্য কোন কোন বর্ণের সঠিক ব্যবহাে উচ্চারণে খুঁজে পাওয়া যায় না। যদি ন উচ্চারণ করা হয় তবে  সেটি দন্ত্য- ন হবে নাকি মূর্ধন্য- ণ হবে তা বোঝা যায় না।কিন্তু বানানোর ক্ষেত্রে আমরা প্রত্যক্ষ

ণ-ত্ব বিধান ও ষ-ত্ব বিধানের ৫টি করে নিয়ম লেখ Read More »

Scroll to Top